আসানসোল। আরেকটি এনকাউন্টার! উত্তরপ্রদেশের পথে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং যোগী আদিত্যনাথের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরের পর, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গাইঘাটায় এক এনকাউণ্টারে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস নিহত হয়েছেন। সোমবার গভীর রাতে পুলিশ অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে গিয়েছিল। ফেরার সময় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়, যাতে প্রহ্লাদ দাস গুলিবিদ্ধ হন। তাকে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১২টার কিছু আগে প্রহ্লাদকে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে সে পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালায়। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এই ঘটনায় এক পুলিশকর্মী আহত হন। আরেক পুলিশকর্মী জীবন বাঁচাতে রাস্তার পাশের গর্তের জলে ঝাঁপ দেন। এই ঘটনার পর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে, যার মধ্যে একটি প্রহ্লাদের গায়ে লাগে। তাকে গুরুতর অবস্থায় চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশকর্মীরও হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

