আসানসোল। দুর্গাপুর মহকুমার কাঁকসার গড়জঙ্গলে পৌরাণিক মেধা মুনি ওরফে মেঘা মুনির আশ্রম রয়েছে। অজয় নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় পুরাণেও এর উল্লেখ রয়েছে। রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য দুর্গাপূজা শুরু করেছিলেন। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন যে বারাণসী করিডরের আদলে এর বিকাশ করা হোক। কমবেশি সারা বছরই পর্যটকরা আসেন। দুর্গোৎসবের সময় ভিড় লক্ষে গিয়ে পৌঁছায়। পুলিশের উদ্যোগে এর সংরক্ষিত জঙ্গল এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে। পর্যটন বাড়াতে ১৯৯২ সালে দেউলে হরিণ ও ময়ূরের জন্য সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। এই এলাকায় ১০০টির বেশি হরিণ রয়েছে। জঙ্গলে শুধু ময়ূরই নয়, বক, খরগোশ, বুনো বিড়াল ও বানরসহ আরও অনেক প্রাণী রয়েছে। পুজোর সময় মানুষের ভিড় বাড়ে, তাই কড়া নজরদারির প্রয়োজন। এলাকার বাসিন্দা সুবোধ লাহা বলেন, নতুন রাস্তার কারণে পর্যটকদের ভিড় অনেক বেড়েছে। ছুটির দিনে এই সংরক্ষিত বন দেখতে প্রচুর ভিড় হয়। দেবী শ্যামরূপার মন্দিরও রয়েছে। পাশেই ইছাই ঘোষ মন্দির রয়েছে। গোপ বংশের রাজা ইছাই ঘোষ এটি নির্মাণ করেছিলেন। মন্দিরটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ অফিসার চন্দন মিশ্র বলেন, জঙ্গলে প্রচুর প্লাস্টিক জমে গিয়েছিল, বিট অফিসার ও স্থানীয় ক্লাবের ছেলেরা মিলে তা পরিষ্কার করেছে। জঙ্গলে প্লাস্টিক ফেলা অপরাধ, এর জন্য সচেতন হওয়া দরকার। বিট অফিসার পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রাণীদের তাদের জায়গায় থাকতে দিন। পর্যটকরা জঙ্গলে আসুন এবং প্রকৃতির অভিজ্ঞতা নিন। পুজোর সময় অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে।
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গোৎসব: কাঁকসার গড়জঙ্গলে মেঘা মুনি আশ্রমের জঙ্গল এলাকা পরিষ্কার
দুর্গাপুরের ঐতিহাসিক গড়জঙ্গলে মেধা মুনি আশ্রম ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলে দুর্গোৎসবের সময় পর্যটকদের ভিড় সামাল দিতে প্রশাসন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে প্লাস্টিক মুক্ত রাখার বার্তা দিয়েছে।

फाइल फोटो |Arthik Dhara Photo
বিজ্ঞাপন
আর্থিক ধারায় আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিন
পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের হাজার হাজার বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়িক নেতাদের কাছে পৌঁছান।
